• E-paper
  • English Version
  • শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৮:০৫ অপরাহ্ন

চুনারুঘাটের আহাম্মদাবাদ ইউনিয়ন নির্বাচনে আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী অধ্যক্ষ আলাউদ্দিন

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেটের সময় শনিবার ১৬ অক্টোবর, ২০২১

সৎ, যোগ্য, নিষ্টাবান, সত্য ও সুন্দরের প্রতিষ্ঠায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চুনারুঘাট উপজেলার ২ নং আহাম্মদাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ মোঃ আলাউদ্দিন দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী।

তার ছাত্র জীবন শুরু আমুরোড উচ্চ বিদ্যালয় থেকে। বৃন্দাবন সরকারি কলেজ থেকে বিকম পাশ করেন। পরবর্তীতে তিনি আমুরোড উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে চাকুরী জীবন শুরু করেন। প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে আন্তরিক প্রচেষ্টায় অত্র বিদ্যালয়টিকে কলেজে উন্নীত করেন বলে জানা যায়। বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী, হবিগঞ্জ- ৪ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট মাহবুব আলীর কাছের লোক হিসেবে অত্র বিদ্যালয়ের উন্নিতকল্পে দুইটি ৪ তলা ভবন অনুমোদন হয়। যা নির্মানাধীন। ২০০৩ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মিথ্যা অস্ত্র মামলার ১ মাস ৬ দিন কারাভোগ করেন। এই বছরই বিএনপি-জামাত সরকারের আমলে আওয়ামীলীগের দুঃসসময়ে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং বর্তমানেও এই দায়িত্ব তিনি নিষ্ঠার সাথে পালন করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড, বিচার সালিশ ইত্যাদির সাথে সম্পৃক্ত। তার অনেক ছাত্র-ছাত্রী অত্র ইউনিয়নে গুনীজন হিসেবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মরত থেকে আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের সুনাম বৃদ্ধি করে যাচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন


আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের আধুনিক উন্নয়নের রূপকার, শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বান্ধব ও জননন্দিত চেয়ারম্যান, মহান মুক্তিযুদ্ধে অন্যতম সংগঠক, সর্বজন শ্রদ্ধেয় জমরুত চৌধুরীর সুযোগ্য পুত্র আবেদ হাসনাত চৌধুরী সনজু নির্বাচন না করার ঘোষণা দেয়ার পরেই পাল্টে গেছে নির্বাচনী চিত্র। নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী বেশকয়জন থাকলেও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ আলাউদ্দিন ও কেএম আনোয়ার হোসেন এর মধ্য থেকে যেকোনো একজন নৌকার মনোনয়ন পেতে পারেন বলে দলীয় নেতা কর্মীদের ধারণা।

এবিষয়ে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ আলাউদ্দিন বলেন, “আওয়ামীলীগের অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা আমাকে সমর্থন জানিয়েছেন। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট মাহবুব আলী মহোদয় বরাবরই আমাকে মাঠে কাজ করে যেতে বলেছেন। আমি উনার নির্দেশনা মত আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের জনগণের পাশে আছি এবং শেষ পর্যন্ত থাকবো ইনশাআল্লাহ।”
একজন শিক্ষক হিসেবে সুনাম থাকা সত্ত্বেও আপনি ইউনিয়ন নির্বাচনে কেন অংশগ্রহণ করতে চাচ্ছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদ ড. এম এ রশিদ, উপমহাদেশের প্রখ্যাত চিকিৎসক ডা. আর আর কৈরি’র মত বহু জ্ঞানি গুণীজন আহম্মদাবাদ ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেছেন। কিন্ত দুঃখের বিষয় মাদক, জুয়া, ভারতের বর্ডার দিয়ে চোরাকারবার, সামাজিক বিচার ব্যবস্থা নাজুক হওয়ায় ইউনিয়নের সুনাম নষ্ট হচ্ছে এবং মাদক সংক্রান্ত বিষয়ে মার্ডার পর্যন্ত হয়েছে। এই ইউনিয়নের নাগরিক হিসেবে আমারও কিছু দায়িত্ব থেকে যায়। আর এই দায়িত্ব থেকেই আমার প্রাণের রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, উপজেলা আওয়ামী, জেলা আওয়ামী লীগ ও শ্রদ্ধেয় জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি আমাকে নৌকা প্রতিক দিয়ে নির্বাচন করার সুযোগ দেন, আর জনগণ যদি আমাকে ভোট দেন। একজন শিক্ষক হিসেবে কথা দিচ্ছি ইউনিয়নের সুনাম সর্ব মহলে পৌঁছে দিব। সরকারের চলমান উন্নয়নকে আরও গতিশীল করে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করবো ইউনিয়নকে।”


এই ক্যাটাগরিতে আরো খবর