• E-paper
  • English Version
  • শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১১:৫৯ অপরাহ্ন

ডাক সেবার আধুনিকায়ন প্রয়োজন 

ইমরান খান রাজ 
  • আপডেটের সময় শনিবার ৯ অক্টোবর, ২০২১

বাংলাদেশের ইতিহাস এবং ঐতিহ্যের সাথে ডাকবাক্স, ডাকটিকিট আর ডাকপিয়ন মিশে রয়েছে। ডাকের মাধ্যমে বহুকাল পূর্ব থেকেই মানুষ তাঁর মনের ভাব বা তথ্য আদান-প্রদান করতো অন্যজনের সাথে। শুধু বাংলাদেশ নয়, ডাক ব্যবহার করা হতো বিশ্বের বহু দেশে। একসময়ের এই জনপ্রিয় মাধ্যম আজ প্রায় বিপন্ন হতে চলেছে। বিশ্ব উন্নত হবার সাথে সাথে আমাদের মাঝ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ডাক সেবা৷ মোবাইল, টেলিফোন, টেলিগ্রাম, ই-মেইলসহ আধুনিক সব যোগাযোগ ব্যবস্থার আড়ালে ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে ডাক। আধুনিক যুগের অনেক ছেলেমেয়ে আছে যারা বাংলাদেশের নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও ডাক সম্পর্কে অবহিত নয়। যা সত্যিই খুব লজ্জাজনক বিষয়।

বিজ্ঞাপন

উইকিপিডিয়া এর তথ্যমতে, ১৮৭৪ সালের ৯ অক্টোবর, সুইজারল্যান্ডের বের্ন শহরে বিশ্ব ডাক সংস্থার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীকে স্মরণ করে প্ৰতি বছর ৯ অক্টোবর সারা বিশ্বব্যাপী পালন করা হয় ডাক দিবস। ডাক সেবার প্রচার এবং প্রসার এই সংস্থার মূল উদ্দেশ্য। ১৯৬৯ সালে জাপানের টোকিও শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ডাক সংস্থার সম্মেলনে ভারতীয় প্রতিনিধি দলের সদস্য, শ্রী আনন্দ মোহন কর্তৃক এই প্রস্তাব পেশ করা হয় এবং ৯ অক্টোবরকে বিশ্ব ডাক দিবস হিসেবে প্রথম ঘোষণা করা হয়। সেই থেকে ডাক সেবার গুরুত্বের উপর আলোকপাত করে সারা বিশ্বে এই দিবস পালন করা হয়।
বর্তমানে ডাক সেবাকে ডিজিটাল ও উন্নত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। দেশের প্রতিটি এলাকায় এখনো ডাক সেবা চালু রয়েছে। পূর্বের চেয়ে যোগ হচ্ছে নতুন নতুন সেবা৷ আধুনিকায়ন করা হচ্ছে প্রতিটি ডাকঘর। ডাকঘরের মাধ্যমে অর্থনৈতিক লেনদেন বৃদ্ধি পেয়েছে। ডাকসেবায় যোগ হয়েছে কম্পিউটার। প্রতিবছর বিশ্ব ডাক দিবসে বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন সভা-সমাবেশ, র‍্যালী করে থাকে। লিফলেট, পোস্টার ও টিভিতে ভিন্ন আঙ্গিকে প্রচার করা হয় ডাক দিবসের স্লোগান ও মর্মকথা। ডাক সেবা অব্যাহত থাকুক হাজার বছর। আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে ডাক সেবা পৌঁছে যাবে বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কাছে, প্রতিটি অঞ্চলে। আজ বিশ্ব ডাক দিবসে সেটাই আমাদের সকলের প্রত্যাশা।


এই ক্যাটাগরিতে আরো খবর