• E-paper
  • English Version
  • শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১১:৩৯ অপরাহ্ন

দিনাজপুরের খানসামায় বেড়েছে নারী শিশু শ্রমিক

মো: আজিজার রহমান, দিনাজপুর
  • আপডেটের সময় বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা দিন দিন বেড়েই চলছে শিশু শ্রম। খানসামা উপজেলায় নামে-বেনামে গড়ে উঠেছে বেশ কিছু চুল ফ্যাক্টরী (কৃত্রিম মাথার কেশ তৈরীর কারখানা)।

সরোজমিনে দেখা গছে, এই কারখানাগুলো শিশু শ্রম আইনকে তোয়াক্কা না করে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে নারী শিশু শ্রমিক। যাদের বয়স বয়স ১৮ বছরের নিচে।সাম্প্রতিক আন্তজার্তিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ও ইউনিসেফ এক নতুন প্রতিবেদনে বলেছে, কোভিড-১৯ সংকটের ফশ্রুতিতে আরও লাখ লাখ শিশুকে শিশু
শ্রমে ঠেলে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, যা গত ২০ বছরের অগ্রগতির পর প্রথম শিশু শ্রম বাড়িয়ে দিতে পারে।

তার প্রতিফল ঘটেছে,খানসামা উপজেলায়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পাকেরহাট, বাংলাবাজার, প্ল্যান বাজার ও চৌরাঙ্গী বাজার এলাকার শিশু শ্রমিকদের অধিকাংশ সকাল সাড়ে ৬ থেকে ছুটছে চুল ফ্যাক্টরী(কৃত্রিম মাথার কেশ তৈরীর কারখানা) গুলোতে।

এছাড়াও উপজেলা বিভিন্ন স্থানে শিশুদের শ্রমিক হিসেবে উপস্থিতি দেখা যায়। এমনকি সর্বত্র বিদ্যালয়গামী শিশুদের উপস্থিতি যেন বেড়েই চলেছে। যাদের বয়স
১৮ বছরের নিচে। যদি ১২ সেপ্টেম্বর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলেছে, কিন্তু স্কুল পড়ুয়া ছাত্রী আজ স্কুল বিমূখ। করোনা মহামারিতে প্রভাব পরেছে, নিম্ন আয়ের মানুষের উপরে।

স্কুল পড়ুয়া বেশিভাগ ছাত্রীরা ঘরে বসে না থেকে পরিবারের আয়ের লক্ষ্যে কর্মমূখী হয়ে পরেছে। অনেকেই ছেড়ে দিয়েছেন লেখাপড়া। শিশু শ্রমের কারণে
ব্যাপক প্রভাব পড়েছে খানসামা উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে। খানসামার নাম প্রকাশের অইচ্ছুক এক প্রধান শিক্ষক বলেন, যদি খানসামা উপজেলায় দ্রুত শিশু শ্রম বন্ধ করা না যায়, তাহলে শিক্ষার হার থেকে পিছিয়ে যাবে খানসামা উপজেলার মানুষ। ছাত্র-ছাত্রীরা দীর্ঘদিন স্কুলের বাহিওে ছিল। আর শিশুরা যত বেশি সময় স্কুলের বাইরে থাকে তাদের আবার স্কুলে ফেরার
সম্ভাবনা ততটাই কমে যায়।

এ বিষয়ে এম এ আজিজ বলেন, করোনা মহামারী নিম্ন আয়ের পারিবারিক বিপর্যয়ে কারণে কোনো সহায়তা না পেয়ে অনেকেই শিশু শ্রমে নিয়োজিত হতে বাধ্য হয়েছে।
দারিদ্র্য বৃদ্ধি, স্কুল বন্ধ ও সামাজিক সেবা প্রাপ্তি কমতে থাকায় অধিক সংখ্যায় শিশুদের কর্মক্ষেত্রে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। কোভিড পরবর্তী বাংলাদেশকে আমরা নতুনভাবে দেখতে চাই। আমাদের নিশ্চিত করা দরকার যে, শিশু
ও তাদের পরিবারগুলো ভবিষ্যতে একই ধরনের ধাক্কা সামলে নিতে যেন বিকল্প পথ খুঁজে পায়।


এই ক্যাটাগরিতে আরো খবর