• E-paper
  • English Version
  • রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন

দিনাজপুরের শ্মশান-কবরস্থান দ্বন্দ্বের অবসান

মো: আজিজার রহমান, দিনাজপুর
  • আপডেটের সময় বুধবার ১৩ অক্টোবর, ২০২১

দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ৮নং ধর্মপুর ইউনিয়নের দক্ষিন গোবিন্দপুর মৌজার ডাকুয়া শ্মশানের জায়গা নিয়ে দীর্ঘ দিনের বিরোধের অবসান ঘটালেন, বিরল উপজেলা আওয়ামী লীগ। ২০ শতাংশ জমি ক্রয় করে মুসলিমদের কবরস্থান নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় উপজেলার ৮নং ধর্মপুর ইউনিয়নের দক্ষিন গোবিন্দপুর মৌজার ডাকুয়া শ্মশান সংলগ্ন কবরস্থানে দক্ষিন গোবিন্দপুর গ্রামের লোকমান
আলীর স্ত্রী গত সোমবার রাত আনুমারিক ২ টার সময় মারা গেলে তার লাশ দাফন করাকে কেন্দ্র করে হিন্দু সম্প্রদায়ের শত শত নারী পুরুষ শ্মশান পাহারা
বসান। এদিকে মঙ্গলবার সকালে লোকমানের লোকজন তার স্ত্রীর কবর খননের জন্য গেলে হিন্দু ও মুসলিমদের সাথে উত্তেজনা দেখা দেয়।

খরব পেয়ে দিনাজপুর সদর সার্কেলের এএসপি সুজন সরকার, বিরল থানার পুলিশ প্রশাসন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) আব্দুল ওয়াজেদ, বিরল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র আলহাজ্ব সবুজার সিদ্দিক সাগর, সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রমা কান্ত রায়, উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুবল চন্দ্র রায়, আ’লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক বিভুতি ভুষন সরকার, যুবলীগের সভাপতি আব্দুল মালেক, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মজিদ, সাধারণ সম্পাদক রতন চন্দ্র সরকার, ১০ নং রানীপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক আজম, ৮ নং ধর্মপুর ইউপি সদস্য পঞ্চানন চন্দ্র সরকার, সরেন চন্দ্র রায়সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত হন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, দক্ষিন গোবিন্দপুর মৌজার ডাকুয়া শ্মশানের জায়গার এক কোনে দীর্ঘ দিন ধরে স্থানীয় মুসলমানরা তাদের কবরস্থান হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন। বর্তমানে বিষয়টি সচেতন হিন্দু সম্প্রদায় সম্পুর্ণ জায়গাটি শ্মশানের নামে রেকর্ড থাকায় এখন তারা কবর স্থানের ব্যবহারের নিষেধ করে আসছিলেন।

এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ দিন ধরে হিন্দু-মুসলিমদের দ্বন্দ্ব চলছে। এই দ্বন্দের সুত্র ধরে ঘটনায় উল্লেখিত ব্যক্তিবর্গসহ অত্র এলাকার হিন্দু-মুসলিমের হাজারো জনতাকে সাথে নিয়ে সালিশ মিমাংসার মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান করা হয়। সমাধানে মৃত লোকমানের স্ত্রীকে অন্যত্র দাফন করা হয় এবং আগামীতে বিরল উপজেলা আওয়ামী লীগের অর্থায়নে ঐ এলাকায় ২০ শতাংশ জমি ক্রয় করে মুসলিমদের কবরস্থান নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগ। সেই সাথে শ্মশান সংলগ্ন মুসলিমদের সেই কবর স্থানটি সংরক্ষন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।


এই ক্যাটাগরিতে আরো খবর