• E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন

দুই দপ্তরের টানাপোড়নে মহাসড়ক থেকে অপসারন হয়নি গাছ, যে কোন সময় ঘটতে পারে দূর্ঘটনা

অশোক কুমার বিশ্বাস (মণিরামপুর) যশোর
  • আপডেটের সময় সোমবার ২২ নভেম্বর, ২০২১

যশোর জেলা পরিষদ এবং সড়ক ও জনপদ বিভাগের সমন্বয় হীনতায় ৩৬৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মানাধীন যশোরের রাজারহাট-চুকনাগর মহাসড়কের ওপর (মণিরামপুর) গাছ অপসারন করা হয়নি।

মহাসড়কের ঝুঁকিপূর্ণ বাকে (মোড়) প্রায় মাঝবরাবর বড় গাছ থাকায় যে কোন সময় দূর্ঘটনার আশংকা করছেন স্থানীয়রা। সর্বমহলে দাবি উঠেছে গাছ কেটে ঝুকিহীন মহাসড়ক নির্মানের।

সংশ্লিষ্ট অফিস সূত্র জানায়, রাজাহারহাট-মণিরামপুর-কেশবপুর-চুকনগর আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওয়তায় ৩৬৩ কোটি টাকা ব্যয়ে মহাসড়ক নির্মাণ কাজ চলছে। মহাসড়কের ম্যাকাডমের কাজ প্রায় সম্পন্ন হওয়া পথে রয়েছে। এ মহাসড়কের মণিরামপুর অংশের কয়েক জায়গায় সড়কের প্রায় মাঝ বরাবর বৃহৎ আকৃতির মেহগনি গাছ রয়েছে। সড়কের ঝুকিপূর্ণ বাকে (মোড়) সিংহভাগ গাছ রয়েছে। যা অপসারন করা হয়নি। গাছ অপসারনে যশোর জেলা পরিষদ এবং সড়ক ও জনপদ বিভাগ নিজেদের দাবি করে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায় জেলা পরিষদ নিজেদের গাছ দাবি করায় সড়ক ও জনপদ বিভাগ আইন জটিলতায় গাছ অপসারণ করতে পারেনি। মেগা প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করতে এক পর্যায় নিরুপায় হয়ে গাছ অপসারন না করেই ওই গাছের গোড়া খুড়ে ম্যাকাডমের কাজ প্রায় শেষ পর্যায় রয়েছে। এতে করে সেখানে দূঘটনার আশংকা রয়েছে।

স্থানীয় কাউন্সিলর আইয়ুব পাটোয়ারি বলেন, মহাসড়ক আগের চেয়ে চওড়া হচ্ছে। গাছগুলো মহাসড়কের প্রায় মাঝ বরাবর থাকায় দ্রুত গতি সম্পন্ন যানবাহন গাছের সাথে সংঘর্ষে প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে। তিনি দ্রæত গাছ অপসারনের দাবি করেছন।

মণিরামপুর ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন অফিসার প্রনব কুমার বিশ্বাস বলেন, শীতের কুয়াশায় গাছ দেখতে না পাওয়ায় চরম অসুবিধায় পড়তে হয়। তিনিও দ্রুত গাছ অপসারনের দাবি করেছেন।

বিষয়টি ঝুকিপূর্ণ উল্লেখ করে সড়ক ও জনপদ বিভাগের যশোর জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, তারা গাছ অপসারনের জন্য একাধিকবার জেলা পরিষদকে অবহিত করেছেন। পরে পত্র দিয়েছেন। তারপরও গাছ অপসারন করা হয়নি। বড় পকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করতেই বাধ্য হয়ে গাছ অপসারন না করেই কাজ শুরু করতে হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ জাকির হাসান বলেন, ইতোমধ্যে জেলা সমন্বয় কমিটিতে গাছ অপসারনের বিষয়টি উল্থাপিত হয়েছে।

যশোর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল সাংবাদিকদের বলেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষ থেকে চিঠি দিলেই টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গাছ অপসারণ করা হবে বলে তিনি জানান।


এই ক্যাটাগরিতে আরো খবর