• E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন

পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অফিস না করেও হাজিরা খাতায় অগ্রীম স্বাক্ষর

মাহমুদুন্নবী (পত্নীতলা) নওগাঁ
  • আপডেটের সময় বৃহস্পতিবার ১১ নভেম্বর, ২০২১

নওগাঁ পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর জুনিয়র মেকানিক্স মোঃ রাশেদ মন্ডল অফিস না করেও নিয়মিত হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

গত ০২ নভেম্বর গণমাধ্যম কর্মীদের হাতে আসা ফুঁটেজ এ দেখা যায় জুনিয়র মেকানিক্স গত ২৪ অক্টোবর থেকে ০২ নভেম্বর পর্যন্ত হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন নি। তার সাথে ০২ নভেম্বর যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি।

তার সাথে যোগাযোগ করতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. খালিদ সাইফুল্লাহ এর নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, আমাদের জুনিয়র মেকানিক্স মোঃ রাশেদ মন্ডল অফিস থেকে কোন ছুটি নেয় নি। বর্তমানে তিনি কোথায় আছে এই ব্যাপারটি আমার জানা নেই। বিষয়টি আমি দেখছি।

বৃহস্পতিবার ১১ নভেম্বর আবারো গণমাধ্যম কর্মীদের হাতে ফুঁটেজ আসলে দেখা যায়, গত ২৪ অক্টোবর থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত জুনিয়র মেকানিক্স মোঃ রাশেদ মন্ডল এর হাজিরা খাতায় সাক্ষর করা।

এমন ফুঁটেজ হাতে আসার পর অভিযুক্ত পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর জুনিয়র মেকানিক্স মোঃ রাশেদ মন্ডল এর সাথে সাক্ষাতে কথা বলতে গেলে তিনি কোন সঠিক উত্তর দিতে পারেনি। তাকে আবারো প্রশ্ন করা হয় আপনি একদিনের অগ্রিম সাক্ষর কেন করলেন? এমন প্রশ্ন শুনে তিনি স্থান ত্যাগ করে চলে যান।

নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক শর্তে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একাধিক কর্মচারী জানান, জুনিয়র মেকানিক্স মোঃ রাশেদ মন্ডল মানুষের কাছ থেকে চাকরির কথা বলে মোটা অঙ্কের টাকা নেয় এবং তাদের চাকরির জন্যই মাসের অধিকাংশ সময় ঢাকাতে থাকে।

এ বিষয়ে পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. খালিদ সাইফুল্লাহ ও আবাসিক কর্মকর্তা ডা. দেবাশীষ রায় এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তাদের উভয়কে ফোনে পাওয়া না যাওয়াই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মেসেনজারে জানতে চাইলে তারা কোন উত্তর দেন নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ লিটন সরকার এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ব্যস্ততার কারণে দুই একদিন সাক্ষর করতে পারেনি এই বিষয়টি আলাদা কিন্তু দীর্ঘ দিন সাক্ষর না করে একবারে সাক্ষর করা এবং একদিনের অগ্রীম সাক্ষর করা কোন ভাবেই গ্রহণযোগ্য না৷ বিষয়টি নিয়ে আমি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. খালিদ সাইফুল্লাহ সাথে কথা বলে দেখতেছি এমন অনিয়ম কেন হলো।


এই ক্যাটাগরিতে আরো খবর