• E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন

মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মারক বিজয়ফুল পরিধানের আহবান লণ্ডনস্থ বিজয়ফুলের কেন্দ্রীয় কমিটি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  • আপডেটের সময় বুধবার ২৪ নভেম্বর, ২০২১

ডিসেম্বর মাস, বাংলাদেশের বিজয়ের মাস। এবার পালিত হবে বিজয়ের সুবর্ণ জয়ন্তী। প্রতিবারের মত এবারও বিজয়ফুল কর্মসূচী বিশ্বব্যাপি ছড়িয়ে দেবার প্রত্যয় নিয়ে আগামী ৩০ নভেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যা ছ’টা এক মিনিটে পূর্ব লন্ডনের আলতাব আলী পার্ক থেকে সারা বিশ্বের বিজয়ফুল কর্মসূচীর যাত্রা শুরু হবে।

ডিসেম্বর মাসের ১ থেকে ১৬ তারিখ পর্যন্ত বিশ্বের সর্বত্র মুক্তিযুদ্ধের গল্পবলা এবং প্রতিদিন বিজয়ফুল পরার আহবান জানিয়েছে লণ্ডনস্থ বিজয়ফুল কেন্দ্রীয় কমিটি। এবং প্রতি বছরের মত তাই নভেম্বর মাস থেকেই শুরু হয়েছে সে কার্যক্রম।

উল্লেখ্য, সত্তর দশকের কবি শামীম আজাদ বিলেত থেকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং বিজয় নিয়ে ব্যাপক লেখালেখি ও ক্যম্পেইন শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিজয় ফুলের সৃষ্টি। বহির্বিশ্বে বসবাসরত বাংলাদেশীদের কাছে বিজয় ফুল হয়ে উঠেছে মুক্তিযুদ্ধের প্রতীক।

বিজয়ফুল তৈরীর সময়ে দেশে বিদেশে একটি ক্রিয়েটিভ কর্মকান্ডের মাধ্যমে ছেলেমেয়েদের কাছে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের গল্প বলার সুযোগটা পাওয়া যায়। বিজয়ফুল একটা উপলক্ষ্য। বাচ্চারা বিজয়ফুল তৈরী করার সময় একজন মুক্তিযোদ্ধা পাশে বসে মুক্তিযুদ্ধ এবং যুদ্ধ জয়ের গল্প শোনান। এতে নতুন প্রজন্মের কাছে একাত্তরের বার্তা পৌঁছে যায়। ছেলেমেয়েরা যখন নিজ হাতে পাঁচটি সবুজ পাপড়ি ও একটি লাল গোলকের সম্মিলনে ফুল তৈরী করে, তখন তাদের শেখানো হয় মাঝখানের বৃত্ত আমাদের বিজয়ের লাল সূর্য, আর পাঁচটি পাপড়ির মাধ্যমে আমাদের ধর্মনিরপেক্ষতা-নানা ধর্মের মানুষের সহমর্মিতা, আমাদের মৌলিক অধিকার, দেশের নদী, সবুজ প্রকৃতি ইত্যাদি বুঝানো হয়। তাই বিজয়ফুল বানানোর সময় নতুন প্রজন্মের সামনে গোটা বাংলাদেশের চিত্র ফুটে ওঠে। বিজয়ফুল শুধু লন্ডনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতি ডিসেম্বরে বহু বাঙালীরা বুকে বিজয়ফুল পরেন, হৃদয়ে বিজয়ের চেতনা ধারণ করেন।

প্রবাসে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ইতিহাসকে তুলে ধরার জন্য বিজয়ফুল কর্মসূচি গত ১৪ বছর যাবৎ পালিত হয়ে আসছে। এখন আমাদের কাজ হলো বৃহত্তর পরিসরে সকলের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করে কর্মসূচিকে বিশ্বময় ছড়িয়ে দেয়া। এছাড়া, সভায় এক ডিসেম্বর থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত কর্মসূচি পালন এবং এই কর্মসূচির আরো প্রসারের সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়। কেন্দ্রীয় কমিটি সবাইকে আগামী ৩০ নভেম্বর ফেইসবুক লাইভে বিজয়ফুলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবার আহবান জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ বিজয়ফুল কমিটির অন্যতম উপদেষ্টা অধ্যাপক রাশেদা নাসরীন প্রতিষ্ঠিত সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের “আলোক স্কুল” বিজয়ফুল তৈরীতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। স্কুলের ছয় শতাধিক ছেলেমেয়েরা প্রতিদিন দেশাত্ববোধক গান কবিতা ও গল্পে উৎসবমুখর সময় পার করছে।

বিজয়ফুলের প্রবক্তা কবি শামীম আজাদ বলেন, বিশ্বের যেখানেই থাকুন বিজয়ের মাসে প্রতিদিন বিজয়ফুল পরুন, ‘৭১ এর শহীদদের স্মরণ করুন আর বাংলাদেশের বিজয়কে বুকে ধারণ করুন।


এই ক্যাটাগরিতে আরো খবর