• E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন

সিলেটে ইউপি নির্বাচনে বিদ্রোহীদের চাপে কোণঠাসা আ.লীগ দলীয় প্রার্থীরা

পাবেল আহমেদ, সিলেট
  • আপডেটের সময় মঙ্গলবার ২ নভেম্বর, ২০২১

সিলেটের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে তৃণমূলে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে। বিদ্রোহী প্রার্থীরা নৌকা প্রতীকের সামনে বাঁধা হয়ে দাড়িয়েছে। মনোনয়নকে কেন্দ্র করে প্রভাবশালী নেতাদের বিরুদ্ধে চলছে বিষোদগার। যোগ্য প্রার্থীকে না দিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যের পছন্দের প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়ার অভিযোগ ওঠেছে।

ইউনিয়নের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে নিজস্ব লোককে নৌকার মাঝি হিসেবে মনোনিত করেছেন এমপিরা। স্থানীয়রা বলছেন, নৌকা মানেই পাস। সেকারণে তৃণমূলে দল তথা ভোটারদের বিরোধিতাকে তোয়াক্কা না করার অভিযোগ ওঠেছে। ‘মাই ম্যান’ দের নৌকার মাঝি করতে যেয়ে এমন পরিবেশ সৃষ্টি করছেন স্থানীয় এমপিসহ গুটিকয়েক প্রভাবশালী নেতা। তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে তৃণমূলের পছন্দের প্রার্থীদের মধ্যে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন মাত্র ২ জন। অপর তিনজনই কেন্দ্রের পছন্দের। এ অবস্থায় এই উপজেলার সব ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী থাকছেনই। কেন্দ্রে বাদ পড়া প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন বর্তমান এক চেয়ারম্যানও। সিলেট সদর উপজেলায় একটি ইউনিয়ন ও কোম্পানীগঞ্জের একটি ইউনিয়নে শিবিরের দুই কর্মীকে নৌকার মনোনয়ন দেয়ার অভিযোগ উঠছে। এনিয়ে দলের মধ্যে তৈরী হয়েছে টানাপোড়ন।

এদিকে, মৌলভীবাজারের জুড়ি উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে চেয়ারম্যান পদে লড়াইয়ে আসায় ৪ বিদ্রোহী প্রার্থীকে বহিষ্কার করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ। তারা হলেন জুড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও পশ্চিম জুড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আনফর আলী, আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য ওবায়দুল ইসলাম রুয়েল ও সালেহ উদ্দিন আহমদ, গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের যুবলীগ নেতা সবুজ আহমদ। তাদের মধ্যে সালেহ উদ্দিন আহমদ বিগত কয়েক বছর ধরে ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে পূর্ব জুড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সুনামগঞ্জে নিজে নৌকার মনোনয়ন না পাওয়ায় সরাসরি দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে কাজ করতে শুরু করেছেন অনেক ত্যাগী আওয়ামী লীগ নেতা। এতে করে তৃণমূলে বিদ্রোহে টালমাটাল অবস্থা।


এই ক্যাটাগরিতে আরো খবর