• E-paper
  • English Version
  • শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৫৪ অপরাহ্ন

স্বাধীনতার ৫০ বছর পর সিলেট-৩ এলাকার রাস্তা উপহার দিচ্ছেন এমপি হাবিব

পাবেল আহমেদ, সিলেট
  • আপডেটের সময় মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর, ২০২১

সিলেট-৩ আসনের নবনির্বাচিত এমপি হাবিবুর রহমান হাবিব শপথ নেওয়ার পর থেকেই দক্ষিণ সুমরা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জের উন্নয়ন ও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে অবিরাম কাজ করছেন।

এরই ধারাবাতিকায় সুবিধাবঞ্চিত একটি এলাকায় করে দিচ্ছেন দুটি সড়ক। যে এলাকায় স্বাধীনতার পর থেকে দীর্ঘ প্রায় অর্ধশত বছর ধরে বর্ষা মৌসুমে নৌকা আর শুকনো মৌসুমে দু পা-ই ছিলো মানুষের ভরসা। তবে এবার এমপি হাবিবের বদান্যতায় পাল্টে যাবে সেই এলাকার দৃশ্য।

বিজ্ঞাপন


ভোটের আগে এক নির্বাচনী জনসভায় বক্তৃতাকালে বালাগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম গৌরীপুরের অবহেলিত জনপদের মানুষকে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, নির্বাচিত হলে তাদের দুর্ভোগ দূর করতে পায়ে হাঁটার নামমাত্র দুটি রাস্তাকে বড় আর পাকা করে নির্মাণ করে দিবেন। নির্বাচিত হওয়ার পরপরই সে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন তিনি।

জানা গেছে, সোমবার (১১ অক্টোবর) পশ্চিম গৌরীপুর ইউপি থেকে দনারাম বাজার পর্যন্ত কাঁচা সড়ক (বালাগঞ্জ অংশ) এবং হালিমপুর বাজার-বুরুঙ্গা ইউপি জামতলা-বোয়ালজোড় ইউপি (বালাগঞ্জ অংশ) রাস্তা পাকাকরণের অনুমোদন দিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। এমপি হাবিবের তাগিদে দ্রুত সড়ক দুটির কাজের অনুমোদন দিতে বাধ্য হয় সওজ।

বিষয়টি সোমবার (১১ অক্টোবর) রাতে শব্দকথা-কে এমপি হাবিবুর রহমান হাবিব নিজেই নিশ্চিত করে শীঘ্রই কাজ শুরু হবে বলে জানান তিনি।

তিনি প্রতিবেদককে বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নই আমার সবকিছু। আমার এলাকার মানুষ সুখে থাকলেই আমার সুখ। স্বাধীনতার পর থেকে দীর্ঘ ৪৯টি বছর যে এলাকায় রাস্তা হয়নি, নৌকাই ছিলো মানুষের ভরসা, সেই এলাকায় রাস্তা হচ্ছে- বিষয়টি অনেক তৃপ্তির।

এমপি হাবিব এ বিষয়ে স্রষ্টার কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ- আমি আমার কথা রাখতে সক্ষম হয়েছি। আজ পশ্চিম গৌরীপুর ইউ/পি টু দনারাম বাজার রোড (বালাগঞ্জ অংশ) এবং হালিমপুর বাজার-জঐউ-বুরুঙ্গা ইউ/পি জামতলা-বোয়ালজোড় ইউ/পি রোড (বালাগঞ্জ অংশ) রাস্তার অনুমোদন হয়েছে। ইনশাহ আল্লাহ- শীঘ্রই কাজ শুরু হবে।’

উল্লেখ্য, গত ৪ সেপ্টেম্বর সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান (নৌকা) বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পান ৯০ হাজার ৬৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির আতিকুর রহমান (লাঙ্গল) পেয়েছেন ২৪ হাজার ৭৫২ ভোট। আতিকের চেয়ে হাবিব ৬৫ হাজার ৩১২ ভোট বেশি পেয়েছেন।

এর আগে চলতি বছরের ১১ মার্চ এ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েসের মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়। এরপর করোনা পরিস্থিতিতে দুই দফা তারিখ পিছিয়ে অবশেষে ৪ সেপ্টেম্বর ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়।


এই ক্যাটাগরিতে আরো খবর