• E-paper
  • English Version
  • শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১১:৪৮ অপরাহ্ন

হবিগঞ্জে প্রতিমার গায়ে পড়ছে শেষ মুহুর্তের রঙের আঁচড়, ব্যস্ত প্রতিমা শিল্পীরা

মনসুর আহমেদ
  • আপডেটের সময় শনিবার ৯ অক্টোবর, ২০২১

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে প্রতিমা তৈরির ধুম পড়েছে। কারিগরদের দম ফেলার ফুসরত নেই। দুইদিন বাদেই শারদীয় উৎসব শুরু। প্রতিমার গায়ে পড়ছে শেষ মুহুর্তের রঙের আঁচড়।
হবিগঞ্জে প্রায় ৬৮৬টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। প্রতিমা কারিগর ও মৃৎশিল্পী নিরঞ্জন মুন্ডল, প্রসেনজিৎ চৌধুরী শিবু, রাজু সরকার ও পংকজ সরকার সহ অনেকেই এখন ব্যস্থ সময় পাড় করছেন পূজামণ্ডপগুলোর সাজসজ্জার নান্দনিক রূপ দিতে।

বিজ্ঞাপন


এদিকে পূজামণ্ডপগুলোতে মিউজিক বা অতিরিক্ত আলোকসজ্জার ব্যবস্থা না থাকার কারণে ভিন্ন আঙ্গিকে প্রতিটি মণ্ডপকে সাজানোর চেষ্টা করছেন আয়োজকেরা।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শংখ শুভ্র রায় জানান, জেলায় এবার ৬৮৬টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে সর্বজনীন ৬৬৮ ও ব্যক্তিগত মণ্ডপের সংখ্যা ১৮টি। করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠিত হবে সব আয়োজন। যে কারণে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী এবারের উৎসবে থাকছে না ডিজে মিউজিক, অতিরিক্ত আলোকসজ্জা, মেলা ও দশমীর মঙ্গল শোভাযাত্রা।
এ ছাড়া হবিগঞ্জ রামকৃষ্ণ মিশনে এবার ঘরোয়াভাবে অনুষ্ঠিত হবে কুমারী পূজা। অন্য বছরের মতো এবারের কুমারী পূজা ভক্তদের দেখার সুযোগ থাকছে না।
জেলা পুলিশের ডিএসবি শাখার ইন্সপেক্টর সৈয়দুল মোস্তফা বলেন, প্রতিবারের মতো এবারও দুর্গোৎসবকে ঘিরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে জেলা প্রশাসন। প্রতিটি মণ্ডপে দায়িত্ব পালন করবে আনসার সদস্য ও পুলিশের বিশেষ টিম। এ ছাড়া ৩-৪টি পূজামণ্ডপ মিলে একটি মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে। করোনা সংক্রমণের বিষয়টি মাথায় রেখে অবশ্যই সবাইকে মাস্ক পরে মণ্ডপে আসতে হবে বলেও জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন


এই উপলক্ষে শহরের বিপনি বিতানগুলোতে বিভিন্ন বয়সী ক্রেতাদের ভিড় চোখে পড়ার মত। তরুণ-তরুণীদের চোখে মুখে উল্লাস। করোনার ঘরবন্দী জীবনের সমাপ্তি চায় তারা।
চৈতী রায় চৌধুরী নামে এক তরুণী বলেন, “এই উৎসবে সকলের দিন ও রাতকে উজ্জ্বল করে তুলুক। এটি আমাদের জীবনে রঙ ভরে দিক এবং আলোয় আলোকিত করে তুলুক। এই উৎসবে জীবনের সমস্ত দুঃখ-কষ্ট দূর হোক, সমস্ত কঠিন পরিস্থিতি সহ্য করার শক্তি হোক এই উৎসব। দেবী দুর্গা আমাদের চারপাশের সমস্ত অশুভ শক্তি দূর করুক। আনন্দে কাটুক আমাদের শারদবেলা।”
১১ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে শারদীয় দুর্গা উৎসব শুরু হবে। ৫ দিনব্যাপী এ উৎসব শেষ হবে ১৫ অক্টোবর বিসর্জনের মধ্য দিয়ে। হিন্দু শাস্ত্র মতে, এবার দেবী দুর্গা আসছেন ঘোড়ায় চড়ে এবং বিদায় নেবেন দোলনায় চড়ে।


এই ক্যাটাগরিতে আরো খবর