• E-paper
  • English Version
  • শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৫৬ অপরাহ্ন

হাসি নেই কামারদের মুখে

ইমরান খান রাজ
  • আপডেটের সময় মঙ্গলবার ২০ জুলাই, ২০২১

আর মাত্র ১ দিন বাকি। সামনেই কোরবানি ঈদ। প্রতিবছর কোরবানির প্রায় ৫-৬ দিন আগে থেকেই ভীড় বাড়তো দেশের বিভিন্ন এলাকার কামারশালায়। কামাররা ব্যস্ত থাকতো দা, বটি শান দিতে। কিন্তু এইবারে পুরো ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে বেশিরভাগ কামারশালায়। ঈদের মাত্র ২ দিন বাকি থাকা সত্ত্বেও এখনো তেমন কাজ নেই কামারদের হাতে৷ দিনের বেশিরভাগ সময়টাই চা খেয়ে, গল্প করে কাটাচ্ছে তারা৷

রাজধানীর বনশ্রী এলাকার মেরাদিয়া বাজার সংলগ্ন এক কামারশালায় গিয়ে প্রমাণ মিলে এমন তথ্যের৷ সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল ১১টায় মো. শাহেব আলী তার কামারশালায় বসে কর্মচারীদের সাথে চা খেতে খেতে গল্প করছে৷ গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম চাচা কাজের কি অবস্থা? সাহেব আলী একটু মুচকি হেসে জানায়, কাজ থাকলে কি আর বসে বসে চা খাই ? রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কামারশালার বর্তমান চিত্র একই।

কাজ না পাওয়ার কারণ জানতে চাইলে শাহেব আলী জানায়, সবই করোনার প্রভাব। এতদিন লকডাউনের কারনে দোকান বন্ধ রাখতে হইছে আর এখন কোরবানি ঘনিয়ে আসলেও ক্রেতারা আসছে না। ক্রেতার সংখ্যা খুবই কম। আবার অন্যদিকে দা, বটির কাঁচামাল আনার ক্ষেত্রে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বর্তমানে দা, বটি ধার দেবার জন্য ১০০ টাকা নিচ্ছে এই কামারশালায়। চাপাতি গতবছর ৫০০-৬০০ টাকায় বিক্রি করতে পারলেও এইবার ৪০০-৪৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। বেচাকেনা কম তাই কামারদের মুখে হাসিও কম। ঈদের আগের দিন কর্মব্যস্ততা অনেকটা বৃদ্ধি পাবে বলে আশাকরে মো. শাহেব আলী।


এই ক্যাটাগরিতে আরো খবর