• E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন

ভেঙ্গে গেছে বীর বিক্রম শহীদ আঃ খালেক স্মৃতি মঞ্চ

আজিজুল হক নাসির (চুনারুঘাট) হবিগঞ্জ
  • আপডেটের সময় শুক্রবার ১৫ এপ্রিল, ২০২২

তাঁর সমাধি পাকাকরণ করা হয়েছে। ফলক করে সংক্ষিপ্ত জীবনীও লিখা হয়েছে। ফলকে তাঁর গ্রামের নাম “থৈগাও” না লিখে ‘খৈলগাও” লিখা হয়েছে। যা সমাধি নির্মাণের ১০ বছরেও সংশোধন করা হয়নি। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা  যিনি শত্রুদের পরাস্ত করতে সম্মুখ যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। শহীদের তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে। 

রাষ্ট্র তাঁকে বীর বিক্রম খেতাবও দিয়েছে।গবেষকরা তাঁর সম্পর্কে জেনে যাবেন সহজেই।
শত্রুদের ভয়ে যে বীর পিছু হটেননি। যিনি দেশ মাতাকে মুক্ত করতে নিজের  জীবনকে উৎসর্গ করেছেন তিনি কি স্বরণীয় নন?

কিভাবে স্বরণ করা হবে তাকে? আশপাশের কতজন তাঁর সম্পর্কে জানেন? প্রজন্মরা কিভাবে তাঁকে জানবে? তাঁর জীবনী নেই কোনো পাঠ্য বইয়ে। সমাধিটাও নালুয়া চা-বাগানের ভিতরে। একেবারে ভারত সীমান্তের কাছে। বড়দের কাছ থেকে গল্প না শুনলে তাঁর এই বীরত্ব কাহিনী জানা কঠিন। 

নালুয়া চা-বাগানে গেলে তাঁর সমাধির ফলক থেকে কিছুটা  জানা সম্ভব। ফলকের লেখা গুলোও অস্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ২০১৩ সালে আমুরোড বাজারের খাদ্য গুদামের পাশে নির্মিত হয় বীর বিক্রম শহীদ আঃ খালেক স্মৃতি মঞ্চ।  আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে মঞ্চটি নির্মাণ হয়। মঞ্চটি দেখে এই বীর সম্পর্কে জানার আগ্রহ জাগতো। মঞ্চটিরও বেহাল অবস্থা। ভাঙতে ভাঙতে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। মাটির সাথে বিলিয়ে যাওয়াটাই বাকি শুধু। 

সংস্কার করার তাগিদ নেই কারোর। স্বাধীনতার ৫০ বছরের মধ্যে সরকারি বেসরকারি কত প্রতিষ্ঠান, রাস্তা-ঘাট, সেতু-কালভার্ট নির্মিত হয়েছে চুনারুঘাট উপজেলা জুড়ে। কোনো স্থাপনায়ই ঠাঁই পায় নাই  এই শহীদ বীরের নাম। যে নাম উচ্চারণ করলে স্বরণ হতো তাঁর কথা। 

অনুজরা অগ্রজের কাছে জানতে চাইতো কে ছিলেন এই বীর বিক্রম শহীদ আঃ খালেক?  


এই ক্যাটাগরিতে আরো খবর