যানজটে অস্থির মহেশখালীবাসী, বাড়ছে ভোগান্তি

সুব্রত আপন, মহেশখালী
  • আপডেটের সময় সোমবার ২৫ এপ্রিল, ২০২২

মহেশখালীতে যানজট কোনভাবেই নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। গোরকঘাটা চৌরাস্তার মোড, রাখাইন পারা সংলগ্ন সিএনজি স্টেশন, কুতুবজোম ইউনিয়ন এর কালামিয়া বাজার, ঘটিভাঙ্গা রোডস্থ গোরকঘাটা মসজিদের পশ্চিম কর্নার, বড় মহেশখালীর নতুনবাজারে সব সময় যানজট লেগেই থাকে।

‌রাস্তাগুলোতে পর্যাপ্ত কর্তৃপক্ষের লোক না থাকায় সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত যানজট লেগেই থাকে। ছোট-বড় গাড়ির যত্রতত্র পার্কিং ও প্রধান সড়কের দুই পাশে ভ্রাম্যমাণ দোকান, ফুটপাথে দোকান, মোড়ে মোড়ে সিএনজি ও অটোরিকশার অস্থায়ী স্ট্যান্ডের কারণে শহরটিতে যানজট স্থায়ী রূপ নিয়েছে।
অপরদিকে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলোতে নেই পর্যাপ্ত জনবল, আনসার কিংবা ট্রাফিক পুলিশ। মহেশখালী দ্বীপ অঞ্চল এরিয়া হয় বড় বড় শহরের রাস্তার মতো নয় মহেশখালী রাস্তাঘাট। রাস্তাগুলোর প্রশস্ততা কোনমতেই ৩০ ফুট এর অধিক হলেও এরাস্তা গুলো বদরখালী হয়ে বাংলাদেশের প্রত্যেক শহরের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ফলে বড় বড় গাড়ি মহেশখালীতে প্রবেশ করে অনায়াসেই। ছোট ছোট রাস্তায় বড় বড় গাড়ির যাতায়াত বৃদ্ধি হওয়ায় রাস্তাগুলো‌ একদিকে ভেঙ্গে যাচ্ছে অন্যদিকে একটি বড় গাড়ি প্রবেশ করার সাথে সাথে রাস্তাগুলোতে শত শত গাড়ির জ্যাম লেগে যায়।

এদিকে বর্তমানে গোরকঘাটা টু শাপলাপুর প্রধান সড়কের রশিদ মিয়া ব্রিজটি দীর্ঘদিন নির্মাণাধীন থাকায় ছোট একটি বিকল্প রাস্তা করা হলেও অতিরিক্ত গাড়ি এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গেলেই দীর্ঘ লাইন পড়ে জ্যামের সৃষ্টি হয়। ছোট রাস্তাটি দিয়ে গাড়ি চলাচলে যেমন জ্যামের সৃষ্টি হয় তেমনি মানুষের চলাচলে ব্যাঘাত হয়। ‌ অনেক সময় দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে হয় গাড়ি কিংবা মানুষকে।

গোরকঘাটা চৌরাস্তার মোড়ের ব্যবসায়ী এনামুল হক সিদ্দিকী জানান, গোরকঘাটা মূল সড়কসহ অলিগলিতে অসহনীয় যানজট। গন্তব্যে পৌঁছাতে অনেকের স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দেড়-দুই গুণ সময় বেশি লেগেছে। অনেকেই হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছেছেন। আবার কেউ বিরক্ত হয়ে বাসায় ফিরে গেছেন। তবে গোরকঘাটা চৌরাস্তার মোড় ও বড় মহেশখালীর নতুনবাজারে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ পড়ে। পুরো রাস্তাজুড়ে টমটম অটোরিকশা ও সিএনজি দখল করে আছে। ‌রমজান আশায় এর তীব্রতা আরও বেড়েছে। যানজট মূল সড়ক থেকে অলিগলিতেও ছড়িয়ে পড়েছিল। এ সময় শত শত মানুষকে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছাতে দেখা গেছে। এমনকি ইফতারের সময়ও যাত্রীদের রাস্তায় আটকে থাকতে দেখা গেছে।


এই ক্যাটাগরিতে আরো খবর