• E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ০৮:০২ পূর্বাহ্ন

মহেশখালীর ঈদ বাজারে নারীদের পছন্দের শীর্ষে “কাচা বাদাম ও পুষ্পারাজ”

সুব্রত আপন, মহেশখালী
  • আপডেটের সময় সোমবার ২৫ এপ্রিল, ২০২২

মহেশখালীতে ঈদবাজারে ক্রেতার ঢল নেমেছে। মহেশখালী পৌরসভার রাখাইন পাড়ার মার্কেটগুলোর পোশাক বিতানগুলোতে ক্রেতার চাপ বেড়েছে।
দিন এবং রাতের সমানতালে চলছে পোশাক বেচাকেনা। একই চিত্র নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের নির্ভরযোগ্য মার্কেটে। এবারের ঈদ বাজারে তরুণীসহ নারীদের প্রধান আকর্ষণ কাচা বাদাম ও পুষ্পারাজ নামের থ্রি পিস, কেজি টু, বারিস, দাবাং ফোর। ‌লাল নীল ও সবুজ কালার সহ ছয় রকমের থ্রি পিস রয়েছে কাঁচা বাদামে। কাপড়ের ধরন বুঝে ৭০০ টাকা শুরু করে আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে হাল আমলের কাচা বাদাম থ্রি পিস। বিক্রেতা জাহেদুল ইসলাম বলেন কাচা বাদাম নামে একটি গান সম্প্রীতি ইউটিউবে ভাইরাল হয়। এই গানের মডেলের পরণে যে ড্রেসটা ছিল সেটার আদলেই করা হয়েছে কাচা বাদাম থ্রি-পিস। সোনার বাংলা ফ্যাশনের জাহেদুল ইসলাম বলেন এবারের ঈদ বাজারে কাচা বাদাম থ্রিপিস ও পুষ্পার ব্যাপক চাহিদা। ‌মুলত ক্রেতারা নতুন পোশাক খুঁজেন। কাচা বাদাম ও পুষ্পা নতুন পোশাক হওয়ায় এটি বিক্রি ও বেশ ভালো। এছাড়াও অরগাঞ্জা এবং গোল্ড থ্রি পিস এর চাহিদা রয়েছে। ২০০০ টাকা থেকে ৪০০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে এই থ্রিপিস। ‌ এবারের ঈদ বাজারে মধ্যবয়সী নারীদের প্রথম পছন্দ রং বে-রঙ্গের শাড়ি।গোরকঘাটা বাজারের দোকানগুলোতে বরাবরের মতই জামদানি, কাতান, টাঙ্গাইল, সিল্ক শাড়ি এবং তাঁতের শাড়ি নারীদের চাহিদার শীর্ষে। তাঁতের শাড়ির মূল্য কিছুটা কম হলেও অন্যগুলো ডিজাইনের কারণে বিক্রি হচ্ছে আর থেকে ৩০০০ টাকা থেকে ১২০০০ টাকায়। এছাড়া শিশুদের জন্য অভিজাত ও দোকানগুলোতে রয়েছে দেশী-বিদেশী রঙ ও ডিজাইনের পোশাক। ৮০০ টাকা থেকে ৩০০০ টাকার মধ্যে শিশুদের আকর্ষণীয় পোশাক পাওয়া যাচ্ছে এবারের ঈদ বাজারে। আগের চেয়ে শিশুদের পোশাকের দাম বেড়েছে। কিন্তু সেই তুলনায় কাপড়ের মান বাড়েনি। বাজারে শপিং করতে আসা এক গৃহবধূ বলেন শেষ দিকে অনেক ভিড় হয়। এ কারণে সুস্থ সুন্দর পরিবেশে আগেভাগে পরিবারের সবার জন্য কেনাকাটা করছেন তিনি। তার মধ্যে অনেকেই নির্ঝঞ্ঝাট কেনাকাটার জন্য মধ্যবর্তী সময় বেছে নিয়েছেন। এছাড়া ছেলেদের জন্য নানান নাম ডিজাইন ও বিভিন্ন রঙের পাঞ্জাবি রয়েছে বাজার। ‌


এই ক্যাটাগরিতে আরো খবর